Privacy Policy 

বে ইনসাইট মিডিয়া গ্রুপ  |  স্বাধীন · গবেষণাভিত্তিক · দায়িত্বশীল

১.  ভূমিকা ও দর্শন

দি বে ইনসাইট (The Bay Insight) একটি স্বাধীন, তথ্যভিত্তিক গণমাধ্যম উদ্যোগ। এটি দি বে ইনসাইট মিডিয়া গ্রুপ (The Bay Insight Media Group)-এর মাধ্যমে পরিচালিত হয় এবং বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যমে বে ইনসাইট (Bay Insight) নামে সংবাদ ও বিশ্লেষণ প্রকাশ করে।

কক্সবাজারের উপকূল থেকে মানুষের বাস্তবতা, স্বপ্ন ও সংগ্রামকে জনস্বার্থ সাংবাদিকতার মাধ্যমে তুলে ধরাই আমাদের মূল উদ্দেশ্য।

সত্যনিষ্ঠ, নিরপেক্ষ ও গবেষণাভিত্তিক সাংবাদিকতার মাধ্যমে আমরা জনস্বার্থভিত্তিক সংলাপ, বিশ্লেষণ ও অনুসন্ধানের একটি বিশ্বাসযোগ্য প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আমাদের কাজের কেন্দ্রবিন্দু হলো মানুষের অধিকার ও মর্যাদা। বিশেষত মানবাধিকারভিত্তিক গভীর অনুসন্ধানী প্রতিবেদন, কক্সবাজারসহ প্রান্তিক মানুষের কণ্ঠ তুলে ধরা এবং পাঠকের কাছে বাস্তবতার নির্ভুল চিত্র উপস্থাপন করা আমাদের অঙ্গীকার।

উপকূলের প্রান্ত থেকে মানুষের সত্য, অভিজ্ঞতা ও সম্মিলিত কণ্ঠকে নির্ভীক, দায়িত্বশীল ও প্রভাবশালী সাংবাদিকতার মাধ্যমে সামনে আনা — যাতে সংবাদ হয়ে ওঠে ন্যায়ের শক্তি এবং ইতিবাচক সামাজিক পরিবর্তনের অনুঘটক — এটাই আমাদের লক্ষ্য।

একই সঙ্গে দি বে ইনসাইট বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু — বিশেষত সমুদ্র ও উপকূলীয় অঞ্চল, পরিবেশ ও জলবায়ু সচেতনতা, প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য, সামুদ্রিক ও উপকূলভিত্তিক অর্থনীতি, রাজনীতি এবং আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট — এসব বিষয়ে গভীর অনুসন্ধান, বিশ্লেষণ ও তথ্যভিত্তিক প্রতিবেদন প্রকাশে অঙ্গীকারবদ্ধ।

২.  স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা

দি বে ইনসাইট স্বাধীন ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ। আমাদের সম্পাদকীয় সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ স্বাধীন এবং কোনো রাজনৈতিক, কর্পোরেট বা ব্যক্তিগত প্রভাব সংবাদ বা বিশ্লেষণকে প্রভাবিত করতে পারে না। আমরা সত্য, স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতার নীতিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিই।

৩.  সত্য, তথ্য ও যাচাই

আমরা যাচাইকৃত তথ্য, প্রমাণভিত্তিক প্রতিবেদন এবং গভীর বিশ্লেষণকে অগ্রাধিকার দিই। অপতথ্য, বিভ্রান্তিকর তথ্য বা অসম্পূর্ণ তথ্য প্রকাশ থেকে আমরা বিরত থাকি এবং ভুল তথ্য প্রকাশিত হলে দ্রুত সংশোধন ও ব্যাখ্যা প্রদান করি।

৪.  অনুসন্ধানী ও গবেষণাভিত্তিক সাংবাদিকতা

দি বে ইনসাইট অনুসন্ধানী ও গবেষণাভিত্তিক সাংবাদিকতাকে উৎসাহিত করে। সমাজ, রাষ্ট্র, পরিবেশ ও অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো গভীর অনুসন্ধান ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে পাঠকের সামনে তুলে ধরা আমাদের অন্যতম লক্ষ্য।

৫.  প্রান্তিক মানুষের কণ্ঠ ও উপকূলের বাস্তবতা

আমরা প্রান্তিক, উপেক্ষিত ও অবহেলিত মানুষের কণ্ঠকে সামনে আনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। উপকূলীয় মানুষের জীবন, পরিবেশ, সমুদ্র অর্থনীতি ও স্থানীয় বাস্তবতাকে জাতীয় আলোচনার সঙ্গে সংযুক্ত করা আমাদের সম্পাদকীয় অঙ্গীকার।

৬.  মানবিকতা, মর্যাদা ও ন্যায়বিচার

সংবাদ পরিবেশনের সময় আমরা মানুষের মর্যাদা, মানবিক মূল্যবোধ ও ন্যায়বিচারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকি। নারী, শিশু, সংখ্যালঘু, ধর্মীয় সম্প্রদায় ও ভূখণ্ডে বসবাসকারী সকল জাতিসত্তার অধিকার ও সম্মান রক্ষায় আমরা সংবেদনশীল ও দায়িত্বশীল।

৭.  সংবাদ ও মতামতের পৃথকীকরণ

সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মতামত আমরা স্পষ্টভাবে পৃথকভাবে উপস্থাপন করি। সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত মত বা অনুমান যুক্ত করা হয় না এবং তথ্যকে নিরপেক্ষভাবে উপস্থাপন করা হয়।

৮.  উৎস যাচাই ও তথ্য সংগ্রহ

সংবাদের উৎস যাচাই করা আমাদের নীতিগত দায়িত্ব। সম্ভব হলে আমরা সরাসরি উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করি। অন্য উৎস থেকে প্রাপ্ত তথ্য ব্যবহার করলে তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়।

৯.  ছবি, ভিডিও ও ভিজ্যুয়াল কনটেন্ট

ছবি বা ভিডিও প্রকাশের ক্ষেত্রে আমরা রুচি, মানবিকতা ও মর্যাদার সীমা রক্ষা করি। বীভৎস, নৃশংস বা অপ্রয়োজনীয়ভাবে আঘাতমূলক ছবি প্রকাশ থেকে বিরত থাকি। জনস্বার্থে প্রয়োজন হলে বিশেষ বিবেচনায় তা ব্যবহার করা হয় এবং যথাযথ সতর্কতা অবলম্বন করা হয়।

১০.  নারী, শিশু ও সংবেদনশীল বিষয়

ধর্ষণ, পাচার বা নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশুদের পরিচয় গোপন রাখা হয়। সংবেদনশীল তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে মানবিকতা ও সামাজিক প্রভাব বিবেচনায় রাখা হয়।

১১.  বিজ্ঞাপন ও সম্পাদকীয় স্বাধীনতা

বিজ্ঞাপন বা বাণিজ্যিক বিবেচনা কখনোই সম্পাদকীয় সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে পারে না। বিজ্ঞাপন বা স্পনসরকৃত কনটেন্ট সবসময় স্পষ্টভাবে চিহ্নিত করা হয় এবং তা সংবাদ থেকে পৃথক রাখা হয়।

১২.  পাঠকের প্রতি দায়বদ্ধতা

আমরা পাঠকের প্রতি দায়বদ্ধ। জনস্বার্থ, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনের লক্ষ্যে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা চর্চা আমাদের অঙ্গীকার।

দি বে ইনসাইট বিশ্বাস করে — সত্যনিষ্ঠ, গবেষণাভিত্তিক ও মানবিক সাংবাদিকতাই সমাজকে সচেতন, ন্যায়ভিত্তিক ও অগ্রসর ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নিতে পারে।

ডিসক্লেইমার

এই নীতিমালার কোনো ধারা যদি বাংলাদেশের প্রচলিত আইন, বিধি-বিধান বা আদালতের প্রদত্ত কোনো নির্দেশনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়, তবে সে ক্ষেত্রে দেশের প্রযোজ্য আইন, বিধি-বিধান বা আদালতের নির্দেশনাই প্রাধান্য পাবে এবং এই নীতিমালার সংশ্লিষ্ট অংশ কার্যকর থাকবে না।

এছাড়া, কোনো ক্ষেত্রে আদালত বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্দিষ্ট বিধি-বিধান মেনে চলার নির্দেশ প্রদান করা হলে, সেই নির্দেশনাই অনুসরণ করা হবে এবং এই নীতিমালা সেখানে প্রযোজ্য হবে না।

একই সঙ্গে, এই নীতিমালার কোনো হালনাগাদ (আপডেটেড) সংস্করণ প্রকাশিত হলে পূর্ববর্তী সংস্করণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে অকার্যকর বলে গণ্য হবে এবং নতুন সংস্করণই প্রযোজ্য হবে।